West Bengal Panchayet Election: পশ্চিম বর্ধমানের সভা থেকে মোদি সরকারকে আক্রমণ অভিষেকের

উত্তরাপথ

ছবি সংগৃহীত

পশ্চিম বর্ধমান: দোরগড়ায় পঞ্চায়েত ভোট, আর এই ভোটের বাজারে আবার ঝড় তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerje) পশ্চিম বর্ধমাণের বারাবনির সভায়। এদিন তিনি কেন্দ্রের মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, ‘বিজেপির আচ্ছে দিনের নমুনা কী? যারা আপনাদের লুঠছে তার সঙ্গে কী করে থাকবেন? বাংলার মানুষকে ভাতে মারতে চাইছে বিজেপি। তিনি বলেন এবার ভোটবাক্স খুললে যেন পদ্মফুলের বদলে সরষে ফুল দেখে বিজেপি।  

অভিষেক আরও বলেন, ‘১০০ দিনের কাজের ৭৫০০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাছে মাথা নত করবে না তৃণমূল কংগ্রেস। ইডি-সিবিআই লাগালেও কেন্দ্রের কাছে মাথা নত করব না। মানুষ চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত দখল করুক। প্রধানমন্ত্রী যা চাইবে তাই হবে না, মানুষ যা চায় তাই হবে। প্রধানমন্ত্রীর দম্ভ এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যে মানুষকে মানুষ বলে মনে করছেন না। বিজেপি আপনার ভোটে জিতে দিল্লিতে গিয়ে আপনার টাকা বন্ধ করে দেবে।আমি দেড়মাসের মধ্যে দেড়লক্ষ মানুষকে নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে ধর্না দেব। আমাদের দাবি আমরা আদায় করে ছাড়ব।

এদিন অভিষেকের নিশানায় পড়েন জিতেন্দ্রও। তিনি বলেন, ‘বাংলায় সবচেয়ে চোরের নাম জিতেন্দ্র তিওয়ারি, সে দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে । কাগজে মুড়ে হাত বাড়িয়ে টাকা নিয়েছে সে নাকি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গ্যারান্টার। অসমের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে নাকি গ্যারান্টার। ডবল ইঞ্জিন বলে কিছু নেই, ডবল ইঞ্জিন নামে ডবল চুরি।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


আগামী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কি সলমন খানকেও দেখা যাবে কলকাতায় ?

উত্তরাপথ: একেই বলে রথ দেখা কলা বেচা। এলেন ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের শতবর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে,আর বাড়তি পাওনা হিসেবে পেয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে একান্ত সাক্ষাতের সুযোগ।  কালো টয়োটা এসইউভি ডব্লিউবি০২এএন৬৬৪৯ গাড়িতে করে বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে পৌঁছেযান মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে। অবশ্য রাস্তায় উপচে পড়া ভিড়ের জন্য দু'বার দাঁড়াতে হয়েছিল গাড়িতে থাকা সুপারস্টারকে। পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকে সলমন খান। আগেই নিজের টালির চালার বাড়ির সামনে আটপৌড়ে শাড়িতে অপেক্ষায় .....বিস্তারিত পড়ুন

মতুয়া আন্দোলনের এক মনোগ্রাহী ভাষ্য

অরবিন্দ পুরকাইত: আপাত বা গভীর কোনও স্তরেই তেমন কিছু তফাৎ পরিলক্ষিত না হলেও, বর্ণবাদী সমাজে একই পাড়ায় একেবারে প্রায় পাশাপাশি কেবল বিশেষ বিশেষ ঘরে জন্মানোর নিমিত্ত - শিক্ষাদীক্ষা পরের কথা – ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকেই আজীবন একজন শ্রদ্ধা-ভক্তি-প্রণাম পাওয়ার অদৃশ্য শংসাপত্রের অধিকারী আর অন্যজনের সেবা-শ্রদ্ধা-ভক্তির অদৃশ্য দাসখতের দায়বদ্ধতা! কেন-না সৃষ্টিলগ্নেই একজন প্রজাপতি ব্রহ্মার মুখনিসৃত আর অন্যজন পদজ যে! সুতরাং মুখ থাকবে সবার উপরে, সবার নিচে পা – এতে অস্বাভাবিকতা বা আশ্চর্যের তো কিছু নেই! কিন্তু কেবল সেবা-শ্রদ্ধাতেই সব মিটে .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top