ড. সায়ন বসু
NANOGrav গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীদের ছবি | ছবিটি NANOGrav ওয়েবপেজ থেকে নেওয়া |
আমাদের এই মহাবিশ্বে স্থান-কালের যে চাদর বিছানো আছে সেখানে কিছু ঘটনা (তারার মৃত্যুর পরে পালসারের জন্ম বা একে অন্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণরত দুটি কৃষ্ণগহ্বর) যা থেকে কিনা প্রচুর পরিমানে শক্তি উৎপন্ন হয়, তাই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের আকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পরে| এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের উপস্থিতি অঙ্কের মাধ্যমে আজ থেকে প্রায় ১০৭ বছর আগে আলবার্ট আইনস্টাইন দেখিয়ে গিয়েছিলেন তার সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বে |
এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ব্যাপারটা অনেকটা পুকুরের মাঝে ঢিল ফেলে দেওয়ার মতো | ঢিলটি ফেলার সময় তার চারিদিকে যে ঢেউ তৈরী হয় তা পুকুরের পাড়ে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেকটাই শক্তি হারিয়ে ফেলে দুর্বল হয়ে যায়| তেমনই এই মহাবিশ্বের অনেক অনেক দূরে (লক্ষ-কোটি কিলোমিটার) যখন উপরোক্ত কোনো ঘটনা ঘটে এবং তা থেকে উৎপন্ন শক্তি তরঙ্গের আকারে ছড়িয়ে পরে, দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে তার শক্তি কমতে থাকে এবং তাকে চিহ্নিত করার সম্ভাবনাও ধীরে ধীরে কমতে থাকে | এই অতি দুর্বল মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে চিহ্নিত করার অসাধ্যসাধন করেছে North American Nanohertz Observatory for Gravitational Waves বা NANOGrav (ন্যানোগ্রাভ) এর বিজ্ঞানীরা | বিগত ১৫ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম এবং অধ্যাবসার যে ফল তা প্রকাশিত হয়েছে The Astrophysical Journal Letters এর ২৯ জুনের সংখ্যায় | এই গবেষণায় যে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের উপস্থিতি টের পাওয়া গেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করছেন তা খুব সম্ভবত দুটি কৃষ্ণগহ্বরের একে ওপরের সাথে মিশে যাওয়ার আগের মুহুর্তের |
এখানে উল্লেখ করে রাখা ভালো যে আইনস্টাইনের মৃত্যুর ২০ বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের জন্যে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের উপস্থিতি খাতায় কলমে প্রমাণিত হয় দুই জ্যোতির্পদার্থবিদের হাত ধরে | রাসেল হালস এবং জোসেফ টেলর আরেসিবো রেডিও টেলিস্কোপ-এর মাধ্যমে আবিষ্কার করেন একজোড়া পালসার যার দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ২১০০০ আলোকবর্ষ (১ আলোকবর্ষ = ৯৫ হাজার কোটি কিলোমিটার) | এই আবিষ্কারের জন্যে তাঁরা ১৯৯৩ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারও পান এবং খুলে যায় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার এক নতুন দিগন্ত| এরপর এলো সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৫| মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার দুনিয়াতে এক আলোড়ন ফেলে দেওয়া দিন | LIGO (Laser Interferometer Gravitational-Wave Observatory) এর মাধ্যমে ধরা পড়লো পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত দুটো কৃষ্ণগহ্বরের ধাক্কার মধ্যে দিয়ে তৈরী হওয়া মহাকর্ষীয় তরঙ্গ | এই আবিষ্কারের জন্যে ২০১৭ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান রাইনার ওইস, ব্যারি সি বারিশ এবং কিপ থর্ন|
পালসার হল একটি অত্যন্ত চৌম্বক আবর্তিত নিউট্রন তারকা, যা একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কে উচ্চ তীব্রতার তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে বিকিরণ করে। যেহেতু এই তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ পালস্ হিসাবে লক্ষ করা যায় তাই এদের নাম “পালসার”। এগুলো সেসব তারকা থেকে সৃষ্টি হয় যেগুলির কোর সুপারনোভা বিস্ফোরণের পরেও বেঁচে থাকে। পালসার হলো অনেকটা লাইটহাউস-এর মতো | লাইটহাউস থেকে যে আলোর ছটা বের হয় তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর আবর্তিত হয়| ঠিক তেমনিই পালসারও তার নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘোরার সময় একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর রেডিও তরঙ্গ পালসের আকারে বিচ্ছুরিত করতে থাকে | সবথেকে দ্রুতগতির পালসারটির নাম হলো PSR J1748−2446ad | এই পালসারটি প্রতি মিনিটে ৪৩০০০ বার ঘোরে নিজের অক্ষের চারিদিকে | প্রতিটি পালস বিচ্ছুরিত হয় সেটি এতটাই নিখুঁত সময় অন্তর যে পালসারদের “মহাজাগতিক ঘড়ি” হিসেবেও ধরা হয়ে থাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী মহলে | NANOGrav এর গবেষণা বিজ্ঞানীমহলে সাড়া ফেলে দেওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ হলো এর পর্যবেক্ষণের ধরণ | NANOGrav এর সাথে যুক্ত প্রায় ১৯০ জন বিজ্ঞানী ইউরোপ, ভারত, এবং চীনে অবস্থিত রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে বোঝার জন্যে ৬০টিরও বেশি পালসারকে ব্যবহার করেছেন |
এই মহাবিশ্বে প্রতি নিয়তই কিছু না কিছু “মহাজাগতিক” ঘটনা ঘটেই চলেছে | তারই মধ্যে একটি হলো ছায়াপথের মধ্যে “ধাক্কা” | আমরা জানি যে প্রতিটি ছায়াপথের মাঝে থাকে একটি কৃষ্ণগহ্বর| যখন দুটি ছায়াপথের মধ্যে ধাক্কা লাগে তখন প্রতিটি ছায়াপথের মধ্যিখানে অবস্থিত কৃষ্ণগহ্বরও একে অন্যের কাছে চলে আসে এবং একে অন্যের চারিদিকে ঘুরতে থাকে | পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা গেছে যে তাদের মধ্যে দূরত্ব যখন ১ পারসেক (১ পারসেক = ২০৬২৬৫ আলোকবর্ষ) এর থেকে কম হতে শুরু করে তখন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ বিচ্ছুরিত হওয়া আরম্ভ হয় এবং পরবর্তীকালে দুটি কৃষ্ণগহ্বর একে অন্যের সাথে মিশে একটি নতুন কৃষ্ণগহ্বর তৈরী হয়|
কৃষ্ণগহ্বর থেকে বিচ্ছুরিত মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যখন কোন পালসারকে অতিক্রম করে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় তখন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ এবং পালসার থেকে আসা রেডিও তরঙ্গ এই দুটির মধ্যে সময়ের তফাৎ দেখা যায় | তারফলে পৃথিবীতে অবস্থিত কোনো রেডিও অব্জার্ভেটরিতে যখন সেই পালসগুলিকে “ধরা” হবে তখন কোনো একটি পালস, অন্য পালসের থেকে একটু আগে বা একটু পরে পৌঁছাবে | ধরুন পুকুরের মাঝে একটি ঢিল ফেলা হলো এবং তার থেকে আরোও একটু দূরে আবার একটি ঢিল ফেলা হলো এই দুটি জায়গা থেকে যে ঢেউ সেগুলোর পুকুরপাড়ে পৌঁছানোর মধ্যে সময়ের তারতম্য থাকে| জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই কৌশল ব্যবহার করেই “শুনেছেন” মহাকর্ষীয় তরঙ্গের “আওয়াজ”| এই আবিষ্কার বলা চলে এক নতুন দরজা খুলে দিলো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষণায় | NANOGrav গবেষণার সাথে যুক্ত বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই পালসারের সংখ্যা ৬০ থেকে বাড়িয়ে ১০০-এর কিছু বেশি করার কথা ভাবছেন যাতে করে সামনের দিনে আরো বেশি সংখ্যায় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করা যায় | এই আবিষ্কার বিজ্ঞানী মহলে আশা জাগিয়েছে যে সেদিন আর বেশি দূরে নেই যখন হয়ত আমরা জানতে পারবো Big-Bang এর পরে আমাদের এই মহাবিশ্ব কেমন ছিল, ছায়াপথই বা কেমন ছিল অথবা হয়তো সন্ধান পাওয়া যাবে Big-Bang এর পর প্রথম বিচ্ছুরিত মহাকর্ষীয় তরঙ্গের!!!
প্রতীকী ছবি: পালসার (সাদা উজ্জ্বল আলোগুলি) থেকে বিচ্ছুরিত রেডিও তরঙ্গ কিভাবে দুটি কৃষ্ণগহ্বর (বাম দিকের উপরে) থেকে আগত মহাকর্ষীয় তরঙ্গ দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং কিভাবে তা স্থান-কালের (Space-Time) বিস্তারকেও প্রভাবিত করে|
* লেখক বর্তমানে University of Witwatersrand-এর Centre for Astrophysics-এ কর্মরত রেডিও অ্যাস্ট্রোনমির গবেষক
যোগাযোগ- sayan.basu@wits.ac.za
ইচ্ছুক পাঠক/পাঠিকারা NANOGrav এর গবেষণাটি পড়ার জন্যে নীচের লিঙ্কটি ব্যাবহার করতে পারেন –
আরও পড়ুন
PAN-Aadhar link: কেন্দ্র সরকার ১১.৫ কোটি প্যান কার্ডকে নিষ্ক্রিয় করেছে
উত্তরাপথ : আধারের সাথে প্যান কার্ড লিঙ্ক (PAN-Aadhar link)করার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় সরকার ১১.৫ কোটি প্যান কার্ড নিষ্ক্রিয় করেছে৷ আপনি যদি এখনও প্যান কার্ডের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক না করে থাকেন, তাহলে আপনি সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের আওতায় এসেছেন। আপনি যদি আপনার আধার কার্ডকে প্যানের সাথে লিঙ্ক করতে চান তবে আপনি জরিমানা দিয়ে এটি সক্রিয় করতে পারেন। কেন্দ্র সরকার ১১.৫ কোটি প্যান কার্ডকে আধারের সাথে লিঙ্ক না করার কারণে নিষ্ক্রিয় করেছে। একটি আরটিআই-এর জবাবে, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস জানিয়েছে যে আধার কার্ডের সাথে প্যান কার্ড লিঙ্ক (PAN-Aadhar link) করার সময়সীমা ৩০ জুন শেষ হয়েছে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড লিঙ্ক করেননি তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশে ৭০ কোটি প্যান কার্ড বর্তমানে ভারতে প্যান কার্ডের সংখ্যা ৭০.২ কোটিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৭.২৫ কোটি মানুষ আধারের সাথে প্যান কার্ড লিঙ্ক করেছেন। .....বিস্তারিত পড়ুন
সম্পাদকীয়- রাজনৈতিক সহিংসতা ও আমাদের গণতন্ত্র
সেই দিনগুলো চলে গেছে যখন নেতারা তাদের প্রতিপক্ষকেও সম্মান করতেন। শাসক দলের নেতারা তাদের বিরোধী দলের নেতাদের কথা ধৈর্য সহকারে শুনতেন এবং তাদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতেন। আজ রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। কেউ কারো কথা শুনতে প্রস্তুত নয়। আগ্রাসন যেন রাজনীতির অঙ্গ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক কর্মীরা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে খুন বা মানুষ মারার মত অবস্থার দিকে ঝুঁকছে। আমাদের দেশে যেন রাজনৈতিক সহিংসতা কিছুতেই শেষ হচ্ছে না।আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার চেয়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষে বেশি মানুষ নিহত হচ্ছেন। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি) অনুসারে, ২০১৪ সালে, রাজনৈতিক সহিংসতায় ২৪০০ জন প্রাণ হারিয়েছিল এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ২০০০ জন মারা গিয়েছিল। আমরা পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে আমাদের দেশের গণতন্ত্রের জন্য গর্বিত হতে পারি, কিন্তু এটা সত্য যে আমাদের সিস্টেমে অনেক মৌলিক সমস্যা রয়েছে যা আমাদের গণতন্ত্রের শিকড়কে গ্রাস করছে, যার জন্য সময়মতো সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন। .....বিস্তারিত পড়ুন
Side effects of vitamin: ভিটামিনের আধিক্য আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
উত্তরাপথঃ ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা আমরা সবাই নিশ্চয়ই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি যে সুস্থ থাকতে হলে শরীরে প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন থাকা খুবই জরুরি। ভিটামিন আমাদের সুস্থ করার পাশাপাশি আমাদের সমগ্র শরীরের বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাইহোক, এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া আমাদের জন্য ক্ষতিকারকও হতে পারে। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side effects of vitamin)সুস্থ থাকার জন্য শরীরে সব ধরনের পুষ্টি থাকা খুবই জরুরি। এ কারণেই বয়স্ক থেকে শুরু করে চিকিৎসক, সবাই আমাদেরকে সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। সমস্ত পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে বিভিন্ন উপায়ে সুস্থ করে তোলে। এর মধ্যে ভিটামিন একটি, যা আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। .....বিস্তারিত পড়ুন
Roop Kishor Soni: একটি আংটিতে বিশ্বের আটটি আশ্চর্য তুলে ধরেছেন
উত্তরাপথঃ রাজস্থান মানেই ওজনদার রূপার গহনা ,আর তার উপর কারুকাজ। প্রচলিত এই ধারনা ভেঙ্গে আজ রূপোর গহনাকে আধুনিকতার সাথে শিল্পের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন যে ব্যক্তি তিনি হলেন রূপ কিশোরী সোনী(Roop Kishor Soni)।তিনি ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির কাছ থেকে তার অসাধারণ শিল্প কর্মের জন্য জাতীয় পুরুস্কার পান। রাজস্থানের জয়সলমেরের শহরের এই শিল্পী ৩.৮ গ্রাম ওজনের ০.৯ সেমি চওড়া রৌপ্য আংটিতে বিশ্বের আটটি আশ্চর্য খোদাই করেছেন।এই ছোট রূপার আংটিতে শিল্পী তাজমহল, সিডনি অপেরা হাউস, স্ট্যাচু অফ লিবার্টি, চীনের গ্রেট ওয়াল, আইফেল টাওয়ার, বিগ বেন, পিসার হেলানো টাওয়ার এবং মিশরীয় পিরামিডের চিত্র এক সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন।এছাড়াও তিনি আরও দুটি পৃথক ডিজাইনের অত্যাশ্চর্য আংটি তৈরি করেছেন।৮.৬ গ্রাম ওজনের একটি রিংয়ে তিনি সূর্যাস্তের সময় ভারতীয় উট সাফারি সহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন ভারতীয় বিশেষত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন,এবং অন্যটিতে বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবী ছবি এবং মন্দির খোদাই করেছিলেন। শিল্পী বলেছেন যে তিনি তার বাবার কাছ থেকে তার শৈল্পিক দক্ষতা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন। সেই সাথে তিনি বলেন "আমার বাবাও একজন জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত শিল্পী ছিলেন। তিনি আমাকে শিল্পের এই দক্ষতা শিখিয়েছিলেন কারণ তিনি পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে শিল্পের ফর্মটিকে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন।" .....বিস্তারিত পড়ুন