তৃতীয় পাতা


বহু ফসলী চাষাবাদ কি আগামীতে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত কর্রবে?

প্রীতি গুপ্তাঃ বিশ্বে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা আগামী দিনে বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে বড় ইস্যু হতে চলেছে। সারা বিশ্বে যে অনুপাতে জনসংখ্যা বাড়ছে , অন্যদিকে সেই অনুপাতে চাষ জমি কমছে। এই অবস্থায় বহু ফসলী চাষাবাদ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করনের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আমাদের দেশে বেশি হওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আগামী দিনে ভারতে একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পাশাপাশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি হওয়ায় প্রতি বছর বাড়তি জনসংখ্যার মাথাগোঁজার জন্য গৃহ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবাদযোগ্য জমি চাষের আওতাবহির্ভূত হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া শহরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ চাষযোগ্য জমিতে আবাসন প্রকল্প ও কলকারখানা স্থাপন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবকাঠামো  স্থাপনের জন্য ব্যাপকভাবে আবাদি জমির পরিধি দ্রুত কমছে। এ অবস্থায় বহু ফসলি চাষ  আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে যে পরিমাণ জমিতে আমাদের প্রধান খাদ্যশস্যগুলি যেমন ধান ,গম উৎপাদন হতো; বর্তমানে এই সব চাষে ব্যবহৃত জমির পরিমাণ কমলেও উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, যান্ত্রিক চাষ, একফসলি জমিকে দুই বা তিনফসলি ভূমিতে রূপান্তর, উন্নত জাতের বীজ উদ্ভাবন, বপন অথবা রোপণ থেকে পরিপক্ব হওয়ার সময়ের হ্রাসে সাফল্য, জমিতে প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ প্রভৃতি সমন্বিতভাবে কার্যকরের উদ্যোগ নেয়ার ফলে।বহু ফসলি শস্য চাষের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য .....বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদকীয়- শহরে প্রায় অর্ধেক বয়স্ক জনসংখ্যা সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছে না

সম্প্রতি একটি নতুন সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে যা ভারত জুড়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের উপর করা হয়েছে।সমীক্ষায়  একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা উঠে এসেছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে আমাদের শহরে, প্রায় অর্ধেক বয়স্ক জনসংখ্যা সঠিক চিকিৎসা সেবা পেতে অক্ষম।এক্ষেত্রে বিভিন্ন বয়স্ক ব্যক্তি ডাক্তারের কাছে যেতে অক্ষম হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণগুলি হল আর্থিক সীমাবদ্ধতা, কারণ অনেক বয়স্ক ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট আয়ে জীবনযাপন করেন এক্ষেত্রে চিকিৎসায় অতিরিক্ত ব্যায় তাদের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করে, সেইসাথে যাতায়াতের জন্য পরিবহনের সমস্যা সহ শারীরিক সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে।  বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এজওয়েল মোট ১০,০০০ জন ব্যক্তির উপর তাদের সমীক্ষা করেন।তারা তাদের সমীক্ষায় প্রাপ্ত কিছু মানুষের মতামত প্রকাশ করেছেন।তারা তুলে ধরেছেন, আগ্রার বাসিন্দা প্রভাকর শর্মার কথা, যিনি এক দশক ধরে আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন, তিনি নিয়মিত হাসপাতালে চেক-আপের জন্য যাওয়াকে বিরক্তিকর এবং সমস্যাজনক বলে মনে করেন, সেই কারণে প্রায়শই তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা স্থগিত করতে বাধ্য হন। সমীক্ষা অনুসারে, লুধিয়ানার ৭২ বছর বয়সী রাজেশ কুমার ভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।  গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে স্বাস্থ্য পরিষেবার উচ্চ খরচ কুমারের জন্য একটি সমস্যা যিনি সম্পূর্ণরূপে তার অবসরকালীন পেনশনের উপর নির্ভর করে। .....বিস্তারিত পড়ুন

তরুণ ভারত কি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করে?

গার্গী আগরওয়ালা মাহাতোঃ ২০২৪ সালের তরুণ ভারত কি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করে? তরুণ জনসংখ্যা দেশের ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য শতাংশ তৈরি করে, এবার ১.৮ কোটি ১৮-১৯ বছর বয়সী নতুন ভোটার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চলেছে।নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ এবং নিযুক্তি ভারতের ভবিষ্যত গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে, ভারতের তরুণদের রাজনীতি এবং নির্বাচনের প্রতি উদাসীন হিসাবে দেখা হয়েছে। তাদের প্রায়ই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অনাগ্রহী এবং বিচ্ছিন্ন হিসাবে চিত্রিত করা হয়।কিন্তু, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, এই প্রবণতায় একটি লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটেছে। ভারতের যুবকরা রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি সচেতন এবং সক্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থান তাদেরকে বর্তমানে চলতে থাকা রাজনৈতিক সমস্যাগুলির সাথে পরিচিত করে তুলছে সেইসাথে তাদের নিজস্ব সমস্যা তাদেরকে আরও বেশী করে রাজনীতির সাথে জড়িত হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। নির্বাচনের প্রতি তরুণ ভারতের আগ্রহ বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে এমন একটি কারণগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল  দেশে চলতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলি। অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে শুরু করে সামাজিক ন্যায়বিচারের ইস্যুতে, তরুণরা আরও সোচ্চার হয়ে উঠছে। .....বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদকীয়-  প্রশ্নের মুখে ভারতীয় মশলা

এতদিন ভারতীয় মশলা  তাদের উচ্চমানের জন্য পরিচিত ছিল।এটা খুবই দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক যে ভারতীয় মশলা কোম্পানিগুলোকে নিয়ে  বিশ্ব বাজারে প্রশ্ন উঠছে। সিঙ্গাপুর এবং হংকং-এ কিছু ভারতীয় মশলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম মশলা উৎপাদনকারী এবং রপ্তানিকারক দেশ। এক্ষেত্রে ভারতীয় মসলার উপর কোনো আপত্তি তার সুনামকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই, ভারত সরকার সিঙ্গাপুর এবং হংকং-এর খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকে এই বিষয়ে যথাযথভাবে বিস্তারিত অভিযোগ জানতে চেয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠাতে এই দুই দেশের ভারতীয় দূতাবাসকে নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সরকারও তার নিজস্ব স্তরে তদন্ত করছে এবং অভিযুক্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলির কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিবরণ চাওয়া হয়েছে। মসলা নিয়ে এসব দেশ থেকে আগে থেকেই অভিযোগ আসছিল, কিন্তু পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছল কী করে যে সেখানে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন হল। খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো প্রায়শই রেকর্ড পর্যায়ে অভিযোগের প্রতিকার করেছে ,তারপরও এই মশলা কোম্পানিগুলোর কী অবহেলার কারণে এই  নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হল? প্রাথমিক অভিযোগ বা আলোচনা থেকে জানা যায় যে প্রশ্নে থাকা পণ্যগুলি অনুমোদিত সীমার বেশি কীটনাশক ইথিলিন অক্সাইডের মত কীটনাশকের কথিত উপস্থিতির কারণে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। .....বিস্তারিত পড়ুন

পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে উঠলে আপনি কীভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন?

উত্তরাপথঃ এটাই ভারতের ভোটারদের সমস্যা, একদিকে তীব্র দাবদহ অন্যদিকে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।তীব্র গরমে কলকাতা  সহ সারা রাজ্যের রাস্তা দিনের বেলা প্রায় খালি হয়ে যাচ্ছে,রাজ্যের  স্কুলগুলিতে ক্লাস বাতিল করে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই তীব্র গরমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে।ইতিমধ্যে শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গত ৫০ বছরে (এপ্রিল মাসের নিরিখে) দ্বিতীয় সর্বাধিক অনুভূত হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আগামী পাঁচদিনে ৪২ ডিগ্রি ছাপিয়ে ৪৩ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতদিন দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে বেশি তাপের দহন দেখা যেত,এবার সমগ্র দক্ষিণ বঙ্গ জুড়ে তাপের তীব্রতা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর চলতি সপ্তাহের বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছিল। ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সিংহভাগ জেলা তাপপ্রবাহের অধীনে। কতগুলো অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি ৷ যা আগামী মে মাসে প্রতিদিনই দেখা যাবে বলে আবহবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের সমতলের তিনটি জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। বিশেষ করে মালদা, বালুরঘাট তাপপ্রবাহের আওতায় .....বিস্তারিত পড়ুন

জলবায়ু পরিবর্তন কি লাদাখের নির্বাচনী ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট হতে চলেছে?

উত্তরাপথঃ জলবায়ু পরিবর্তন কি লাদাখের ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন কি লাদাখের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে চলেছে? প্রত্যন্ত শীতল একটি পাহাড়ী উপত্যাকা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (UT) মর্যাদা পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছে যা আগামী দিনে লাদাখের রাজনৈতিক পটভূমি নিশ্চিত করবে। লাদাখে ১,৮২,৫৭১ -এরও বেশি (জানুয়ারি ১,২০২৪ পর্যন্ত ডেটা) নাগরিক তাদের ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লাদাখবাসীর কাছে এই নির্বাচন কেবল তাদের প্রতিনিধি বাছাই এর জন্য নয় বরং এই দুর্গম অথচ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমির ভাগ্য নির্ধারণের জন্য। এই নির্বাচনে লাদাখিরা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বীকৃতি পাওয়ার পর তাদের ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রের কথা মাথায় রেখে তাদের স্বদেশের জন্য সুরক্ষা দাবি করছে। বর্তমানে লাদাখের লোকেরা তাদের পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠেছে বিশেষ করে বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুকের অনশন চালিয়ে যাওয়ার কারণে তারা মনে করে যে UT মর্যাদা মানে লাদাখ সরাসরি নয়াদিল্লি থেকে শাসিত হবে।এখন দেখার পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন লাদাখের ভোটিং প্যাটার্নকে কতটা প্রভাবিত করে। .....বিস্তারিত পড়ুন

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে ভোটারদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিটি সম্পদ সম্পর্কে জানার অধিকার নেই

উত্তরাপথঃ ২০১৯ সালের অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে তেজুর নির্দল বিধায়ক করিখো ক্রি-র বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস প্রার্থী নুনি তায়ং। তাইয়াংয়ের অভিযোগ, করিখো তাঁর হলফনামায় সম্পত্তি নিয়ে অনেক বিষয় লুকিয়েছেন। সেই মামলাতেই গৌহাটি হাইকোর্টের নির্দেশে প্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং পিভি সঞ্জয় কুমারের একটি বেঞ্চ বলেছে, "কোনও ভোটারের পক্ষে প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবন যাপনে কুরুচিকর বিলাস দেখা গেলে তবেই সমস্ত সম্পত্তির হিসাব দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে এবং প্রতিটি প্রকাশ অবশ্যই এমন প্রকৃতির হতে হবে যে এটি ভোটকে প্রভাবিত করবে। অন্যথায় একজন প্রার্থীকে সব অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে না, সব কিছু জানার অধিকার নেই ভোটারদের। শীর্ষ আদালত বলেছে যে প্রার্থীদের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছে ।"এটি আবশ্যক নয় যে একজন প্রার্থী তার বা তার নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি আইটেম যেমন জামাকাপড়, জুতা, ক্রোকারিজ, স্টেশনারি, আসবাবপত্র ইত্যাদি .....বিস্তারিত পড়ুন

12 3 4 5 6 7 8
Scroll to Top