সাহিত্য ও শিল্প


ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতিষ্ঠত দ্বারকা নগরী ডুবে যাওয়ার রহস্য

উত্তরাপথঃ হিন্দু ধর্মের চারটি ধামের একটি দ্বারকা ধামকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শহর বলা হয়। দ্বারকা ধাম গুজরাটের কাথিয়াওয়ার অঞ্চলে আরব সাগরের কাছে অবস্থিত।  দ্বারকার ইতিহাস সম্ভবত ৬০০০ বছরের পুরানো।  সম্প্রতি, ভারত সরকারের বেশ কয়েকটি উদ্যোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে জলমগ্ন দ্বারকাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।সম্ভবত এই প্রচেষ্টার অঙ্গ হিসাবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদি গভীর সমুদ্রের গভীরে গিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জলমগ্ন দ্বারকা নগরীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা করেন ।গুজরাটের দ্বারকা শহর হল সেই জায়গা যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রায় ৬০০০ বছর আগে দ্বারকা শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।দ্বারকার স্থানীয় বাসীন্দাদের মতে অতীতে যে স্থানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ব্যক্তিগত প্রাসাদ ও হরিগৃহ দাঁড়িয়েছিল, আজ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে দ্বারকাধীশ মন্দির।তাই কৃষ্ণ ভক্তদের দৃষ্টিতে এটি একটি মহান তীর্থক্ষেত্র।দ্বারকা শহর আদি শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দেশের চারটি ধামের মধ্যে একটি।  শুধু তাই নয়, দ্বারকা শহরও পবিত্র সপ্তপুরীদের মধ্যেও অন্যতম।আজ আমরা মন্দিরের যে বর্তমান রূপটি দেখতে পায় সেটি ১৬ শতকে প্রাপ্ত হয়েছিল।দ্বারকাধীশ মন্দিরের গর্ভগৃহে একটি রূপার সিংহাসনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গাঢ় রঙের চার-বাহু মূর্তি বিরাজমান। .....বিস্তারিত পড়ুন

মান্ডির মহাশিবরাত্রি মেলা আন্তর্জাতিক উৎসব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে

প্রীতি গুপ্তাঃ মান্ডি শহর হিমাচল প্রদেশের প্রাচীনতম শহরগুলির মধ্যে একটি।এটি ছোট কাশী নামে পরিচিত হিমাচল প্রদেশের সংস্কৃতির মতোই মান্ডির মহাশিবরাত্রি উৎসব নানাভাবে অনন্য।এই উৎসব দেবতা ও মানুষের মিলনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।আসলে, হিমাচলের প্রায় প্রতিটি গ্রামেরই নিজস্ব দেবতা রয়েছে। মান্ডির মহাশিবরাত্রি উৎসবের বিশেষত্ব হল , সেখানকার মানুষ এই দিনটিতে তাদের স্থানীয় দেব-দেবীদের পালকিতে বা পিঠে করে মেলার প্যাডাল মাঠে নিয়ে আসেন। মান্ডি মহাশিবরাত্রি মেলা হল একটি বার্ষিক মেলা যা এক সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠিত হয়। এটি মহাশিবরাত্রির দিনে শুরু হয় এবং ৭ দিন পর শেষ হয়। মান্ডি শিবরাত্রি মেলা প্রতি বছর হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে অনুষ্ঠিত হয়।হিমাচল প্রদেশের মান্ডি শহরে শিবরাত্রি উৎসবের জনপ্রিয়তা ব্যাপক এবং তাই এটি একটি আন্তর্জাতিক উৎসব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। মান্ডিতে যেখানে এই উৎসব হয় সেখানে প্রচুর সংখ্যক দেব-দেবী আসেন। এই উৎসবের একটি বিশেষত্ব হল সমস্ত দেবতাকে শুধুমাত্র পালকিতে আনা হয় এবং যাতায়াতের জন্য আর অন্য কোনও যানবাহন ব্যবহার করা হয় না। এই উৎসবে অংশ গ্রহণকারী দেব দেবীদের মধ্যে অনেকগুলি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসে যা মান্ডি শহর থেকে বেশ দূরে। .....বিস্তারিত পড়ুন

জীবন ও সমস্যা

অসীম পাঠকঃ মানুষ মরনশীল ও মননশীল জীব। যা আমাদের খুব গভীরভাবে নাড়া দেয় সুখদুঃখের দিক থেকেই হোক, জ্ঞান-অজ্ঞানের দিক থেকেই হোক, অথবা ইষ্টানিন্টের দিক থেকেই হোক, তাকে আমরা সহজে ভুলি না। তাকে নিয়ে আমাদের নানা রকম কৌতূহল, নানা রকম আগ্রহ, তাকে ঘিরে নানা দিক থেকে আমা- দের নানা রকমের আলোচনা। ঠিক যা আমাদের হয় সাহিত্যকে নিয়ে, কেননা সাহিত্যও আমাদের অতি গভীরভাবে নাড়া দিয়ে থাকে। আমা- দের সাহিত্য-আলোচনার কতো দিক, কতো ধরন, কতো দৃষ্টিকোণ, কতো শাখা-প্রশাখা। এই সব আলোচনার কোনোটাই অবৈধ নয়। নিজ নিজ প্রসঙ্গ ক্ষেত্রে এর প্রত্যেকটাই মূল্যবান। কিন্তু এর সবগুলোকেই সমালোচনা বলা যাবে না। প্রশ্ন এই, ঠিক কোন ধরনের আলোচনাকে বলব সাহিত্যসমালোচনা? জীবন এবং সমস্যা এক সুরে বাঁধা …. মানুষ সমস্যা কে আমন্ত্রণ করে সেখান থেকে সে নিজেই মুক্তির পথনির্দেশ খোঁজে। ডেনমার্কের যুবরাজ হ্যামলেট, নিজেকে প্রশ্ন করেছিলেন- জীবনধারণ না প্রাণত্যাগ শ্রেয়স্কর? প্রতিরোধের থেকে দুঃখবরণ মহত্তর কি না, ব্যর্থতা, ক্লেশ ও পরাজয়ের গ্লানির চাইতে মৃত্যুর দুঃস্বপ্নময় .....বিস্তারিত পড়ুন

মনের মানুষ

স্বপ্নিল আর মধুছন্দা দুই দেহ এক প্রাণ। কলেজ তারপর ইউনিভার্সিটি সর্বত্রই তাদের এতো নিবীড় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতো। অনেক জুটি আবার তাদের দেখে ঈর্ষা ও করতো। যেমন আদের প্রেম তেমনি সায়েন্স নিয়ে তাদের পড়াশোনা র পারফরম্যান্স ও দুর্দান্ত। একদিন ঘটলো এক ঘটনা।স্বপ্নিল ইউনিভার্সিটি তে এম.এস.সি তে গোল্ড মেডেল পেল অর্থাৎ পদার্থ বিদ‍্যা ডিপার্টমেন্টে প্রথম স্থান পেয়ে উত্তীর্ণ হল। ক‍্যালকাটা প্রেসিডেন্সী তে প্রথম হয়েই রিসার্চের খুব ভালো একটি সুযোগ এলো বিদেশে। বাবামায়ের একমাত্র সন্তান সে, তবু এই সুযোগ হাতাছাড়া হতে দিলেন না তার পিতামাতা। তাই সুযোগ পেয়েই আমেরিকায় গেল স্বপ্নিল। মধুছন্দা, তার কি হলো? এবার আসছি তার কথায়। মধু ছিল জীবন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। সেই বিভাগে মধুও প্রথম। তবে তার স্বপ্নের উড়ান ছিল একটু অন‍্য রকম , মানে শিক্ষকতা পেশায় আসা। সে প্রেসিডেন্সিতেই এক অধ্যাপকের কাছে পি.এইচ. ডি র কোর্স ওয়ার্ক শুরু করে। তবে কি আলাদা হয়ে গেলো তারা দুজন? না একেবারেই না। দুজন দুজনের কর্মক্ষেত্র নিজেরা পছন্দ করলেও যেমন ছিল তেমনি এই নেট ইনটারনেট দুনিয়া কে কাজে লাগিয়ে থাকবে এই প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হয়েছিল তারা দুজনে। কাজের সাথে নিত‍্যদিনের ছোটখাটো সব ঘটনাই তারা একে অপরের সাথে শেয়ার করতো। এইভাবেই দুই বছর পার হলো। কিন্তু দূরত্ব টা যে যন্ত্র সবসময় কাছে একইভাবে বজায় রাখতে পারে না তার প্রমাণ হলো সেই দিন, বারটা ছিলো রবিবার। মধুর বাবা কলেজের প্রফেসর ছিলেন , বর্তমানে রিটার্ড করেছেন। .....বিস্তারিত পড়ুন

গুপ্তধন

বাস্তব আর কল্পনা যখন এক সূতোয় ভালোবাসার মালা হয়ে যায় … সোমা : "তেঁতুল বটের কোলে দক্ষিনে যায় চলে" বলছি তুমি কি রবীন্দ্রনাথের গুপ্তধন খুঁজছো ,এই বুড়ো বট আর ছায়াভরা মায়া ভরা তেঁতূলের নীচে ? অসীম : না তো সংকেত খুঁজছি রহস্য ভরা ভালোবাসার। সোমা : তাই বুঝি .. তা কি পেলে শুনি ? অসীম : পেলাম হরপ্পা মহেঞ্জোদাড়োর প্রত্নতাত্ত্বিক খোঁড়াখুঁড়িতে যে সুবিশাল সভ্যতার দলিল আমরা পেয়েছি , এই নিরালা নির্জন তপোবনে তাই পেলাম । সোমা : তোমার এই ছোট্ট আউটিং টার অর্থ ই হলো দূরের অনুভূতি খোঁজা । কাছের জনকে তো দেখতেই পাওনা। আসলে কি জানো ভালোবাসা যতক্ষণ অধরা ততক্ষণ ই তার সার্থকতা । আর ছেলেদের কাছে ভালোবাসা একটা আটপৌরে ব্যাপার , কিন্তু কি জানো একজন মেয়ের কাছে সত্যিকারের প্রেম এক পরম আবিষ্কার । অসীম: আমি বলি কি , চাঁদবেলায় জীবনের সাদা পাতায় যেমন করে দেখবে তুমি আমায় আমি ঠিক তেমনই। .....বিস্তারিত পড়ুন

শবেবরাত একটি উৎসব নয় বিশ্বাস

মৈত্রেয়ী চৌধুরীঃ মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষত এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র বলে মনে করা হয়। শাওন মাস বা শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত শবেবরাতের উপযুক্ত সময়। এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদের বিশেষ ভাবে ক্ষমা করে দেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের অনেক মুসলমান নফল ইবাদাতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলে এই রাতে তারা তাদেরকে মৃত পূর্ব পুরুষদের জন্য আল্লাহের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রার্থনার আয়োজন করে থাকেন। শাবান মাস কি? শবে বরাত মানেই বা কি? এই প্রশ্ন মনে আসা স্বাভাবিক। শাবান মাসের নামকরণের পিছনে রয়েছে এক ইতিহাস।শাবান মাসের আগমনে মুসলিমদের হৃদয়ে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ ও খুশির এক অনাবিল অনুভূতি। কেননা, শাবান মাসের পরবর্তীতে মাসেই আগমন ঘটে বহুল প্রতিক্ষিত পবিত্র রমযান মাসের।ফলে, এই মাস থেকেই চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে মুসলমানরা পবিত্র রমযান মাসের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে শুরু করে। দ্বীনদারি সকল মুসলিমই রমযান মাসের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে। আল্লাহর কাছে আকুলভাবে প্রার্থনা করে, যাতে মহান আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে রমযান মাসের প্রভূত কল্যাণ দান করেন। .....বিস্তারিত পড়ুন

কে এই সরস্বতী! তিনি কি শুধুই বিদ্যার দেবী?

প্রীতি গুপ্তা-মাঘ মাসের শুক্ল পঞ্চমী তিথিতে আমরা সরস্বতী পুজো করে থাকি। মূলত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ যেসব বাড়িতে ছাত্র-ছাত্রী আছে তাঁরা প্রত্যেকেই সরস্বতী পুজো করেন। আপাতভাবে দেখলে মনে হতে পারে সরস্বতী হলেন বিদ্যার দেবী। কিন্তু তিনি কি শুধুই বিদ্যার দেবী? দেবী ভাগবত অনুসারে সরস্বতী হলেন ব্রহ্মার পত্নী। তিনি বাক্ দান করেন। তাই তিনি বাগদেবী। তাঁর অপর নাম বাণী বা ভারতী। তিনি ভাষা থেকে শুরু করে সব বিদ্যা দান করেন।আবার পুরাণ অনুযায়ী এই তিথিতেই ব্রহ্মার মুখ থেকে বিদ্যা ও বুদ্ধির দেবী সরস্বতীর উৎপত্তি। সরস্বতীকে চার বেদের জননী বলা হয়। সূর্যের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়েছিলেন গায়ত্রী। সূর্য বন্দনার মন্ত্রেও তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়। পুরাণ মতে, এই গায়ত্রী ছিলেন সরস্বতীরই আর এক রূপ। উল্লেখ্য গায়ত্রীকে বেদমাতা বলা হয়।তাঁর বাগ্মিতার ক্ষমতা ও দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে সরস্বতীকে 'বাগদেবী' নামে ভূষিত করেন ব্রহ্মা।পুরাণ অনুযায়ী, সরস্বতীর রূপে ব্রহ্মা এতই মুগ্ধ ছিলেন যে, সরস্বতী যে দিকেই থাকুন না-কেন, তিনি যাতে তাঁকে দেখতে পান, এমন কামনা করে বসেছিলেন। এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই রয়েছে ব্রহ্মার চারটি মাথা। .....বিস্তারিত পড়ুন

12 3 4 5 6 7 8
Scroll to Top