Health Broccoli: সপ্তাহে এক বাটি ব্রোকলি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে

উত্তরাপথ

ছবি- সংগৃহীত

সপ্তাহে একবার এক বাটি ব্রোকলি  স্যুপ খান যা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনার টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। আপাতত ব্যাপারটা অবাস্তব লাগতে পারে তবে এটি কোনও সাধারন ব্রোকলি নয় এটি একটি বিশেষ ধরনের ব্রোকলি যা প্রথম সিসিলিতে উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন। এই গবেষণা দলের প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক রিচার্ড মিথেন জানান তাঁরা বছরের পর বছর উদ্ভিদ প্রজননের উপর গবেষণা করে GRextra নামক ব্রকলির একটি নতুন স্ট্রেন তৈরি করেছে।

ক্রুসিফেরাস শাকসবজি – ব্রাসিকা পরিবারের অংশ যার মধ্যে রয়েছে ব্রোকলি, ফুলকপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট এবং বাঁধাকপি – তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই গ্লুকোরাফানিন নামক একটি যৌগ থাকে এই সব শাকসবজির মধ্যে। একবার এই রাসায়নিকটি অন্ত্রে পৌঁছালে, এটি সালফোরাফেন নামক একটি সক্রিয় উপাদানে রূপান্তরিত হয়, যা শরীরের কোষগুলির কাজ করার ক্ষমতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যজনিত কারনে বিপাক ক্রিয়ার কমে যাওয়া কর্ম ক্ষমতাকে পুনরায় ঠিক করতে সাহায্য করে ।

গবেষকরা এই জাতীয় ব্রোকলিকে Smarter Food হিসেবে চিহ্নিত করেছে। GRextra থেকে তৈরি স্যুপের প্রতিটি অংশে যতটা গ্লুকোরাফানিন থাকে, ততটা মানুষ পাঁচ বা তার বেশি কাঁচা ব্রোকলির থেকে পেয়ে থাকে।

 গবেষকদের মতে সপ্তাহে মাত্র এক বাটি স্যুপ রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং লাগাতার সেবনে  সময়ের সাথে সাথে এই মাত্রা আরও কম করতে সাহায্য করে।এটি রক্তে উচ্চ শর্করার মাত্রাযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি বিশেষ সাহায্যকারী একটি উপাদান।

 গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে গ্লুকোরাফানিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে, অন্যান্য বয়স-সম্পর্কিত রোগগুলিকে যেমন কম করতে সাহায্য করতে পারে,তেমনি যারা ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে চান তাদের জন্যও এটি বিশেষ সাহায্যকারী ।এছাড়াও এটি  রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতেও বিশেষ সাহায্য করতে পারে।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


মতুয়া আন্দোলনের এক মনোগ্রাহী ভাষ্য

অরবিন্দ পুরকাইত: আপাত বা গভীর কোনও স্তরেই তেমন কিছু তফাৎ পরিলক্ষিত না হলেও, বর্ণবাদী সমাজে একই পাড়ায় একেবারে প্রায় পাশাপাশি কেবল বিশেষ বিশেষ ঘরে জন্মানোর নিমিত্ত - শিক্ষাদীক্ষা পরের কথা – ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকেই আজীবন একজন শ্রদ্ধা-ভক্তি-প্রণাম পাওয়ার অদৃশ্য শংসাপত্রের অধিকারী আর অন্যজনের সেবা-শ্রদ্ধা-ভক্তির অদৃশ্য দাসখতের দায়বদ্ধতা! কেন-না সৃষ্টিলগ্নেই একজন প্রজাপতি ব্রহ্মার মুখনিসৃত আর অন্যজন পদজ যে! সুতরাং মুখ থাকবে সবার উপরে, সবার নিচে পা – এতে অস্বাভাবিকতা বা আশ্চর্যের তো কিছু নেই! কিন্তু কেবল সেবা-শ্রদ্ধাতেই সব মিটে .....বিস্তারিত পড়ুন

কৃষ্ণগহ্বরের "ছায়া" ও "ছবি"

ড. সায়ন বসু: ১৭৮৩ সালে ভূতত্ত্ববিদ জন মিচেল (John Michell) ‘ডার্ক স্টার’ (dark stars) শিরোনামে একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেন। তার গবেষণা পত্রের বিষয়বস্তু ছিল "বিপুল পরিমাণ ভর বিশিষ্ট কোন বস্তু যার মহাকর্ষের প্রভাবে আলোক তরঙ্গ পর্যন্ত পালাতে পারে না"। এখান থেকেই মূলত কৃষ্ণগহ্বরের (Black Hole) ধারণা আসে এবং এটি নিয়ে গবেষনা ও অনুসন্ধান শুরু হয়। পরবর্তিতে অবশ্য এটি বিজ্ঞান মহলে একটি অযৌক্তিক তত্ত্ব হিসেবে বেশ অবহেলার স্বীকার হয়। আলোর মত কোন কিছু বেরিয়ে আসতে পারবে না এমন একটি তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের কাছে বেশ অযৌক্তিক মনে হয়েছিল। তাই ধীরে ধীরে থেমে যায় কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা। .....বিস্তারিত পড়ুন

স্বপ্নপূরণ না হলেও জ্যাভিলিনে সোনা জিতলেন নীরজ

উত্তরাপথ: দোহায় ডায়মন্ড লিগে জ্যাভিলিনে সোনা জিতলেন নীরজ চোপড়া কিন্তু তার জ্যাবলিনে ৯০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার স্বপ্নপূরণ হল না । দোহায় তার জ্যাভিলিন থামল ৮৮.৬৭ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। গতবছরও এই লিগে প্রথম পদক জিতেছিলেন নীরজ। দোহার সুহেম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে প্রথমবার জ্যাভলিন ছুড়েই চমক দেন নীরজ। প্রথমবারেই তার জ্যাভলিন চলে যায় ৮৮.৬৭ মিটার। ২০২২ সালে জুরিখের ডায়মন্ড লিগে সফলতা হয়েছিলেন নীরজ এবং টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতেছিলেন তিনি। তার লক্ষ্য ছিল ৯০ মিটারের গণ্ডি পেরনোর কিন্তুসেই লক্ষ্য .....বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদকীয়

এ যেন বহুদিন পর বিজেপির চেনা ছন্দের পতন। হিমাচল প্রদেশের পর কর্ণাটক কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপির বিজয়রথকে থামিয়ে দিল ।২০১৮ পর থেকে লাগাতার হারতে থাকা একটি দল আবার ২০২৪ সাধারণ নির্বাচনে প্রাসঙ্গিক হয়ে গেল । ২২৪ সদস্যের কর্ণাটক বিধানসভায় সরকার গঠন করতে গেলে প্রয়োজন ১১৩টি আসন সেখানে কংগ্রেস একাই পেয়েছে ১৩৬টি আসন, বিজেপি পেয়েছে ৬৫ টি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার জেডিএস পেয়েছে ১৯টি এবং অন্যান্য ৪ টি আসন পেয়েছে। যা গতবারের তুলনায় বিজেপির ৩৯ টি আসন কমেছে এবং কংগ্রেসের বেড়েছে ৫৭টি আসন এবং জেডিএসের কমেছে ১৮ টি আসন।   কর্ণাটকে কংগ্রেসের এই সাফল্য কি রাজ্যে কংগ্রেসের শক্তিশালী সংগঠনের ফল না কি কর্ণাটকের আগের ক্ষমতাশীল বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ । কর্ণাটকে কংগ্রেসে অনেক বড় নেতা রয়েছে।  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শিবকুমার দক্ষ সংগঠক। আগের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার ব্যাপক জনভিত্তি রয়েছে।  ভোটের আগে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী সাভাড়ি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে নির্বাচনে লড়েছেন। অন্যদিকে বিজেপির প্রচারের সবচেয়ে বড় মুখ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বিজেপির প্রচারে সব নেতারাই মোদীর নাম করেই ভোট চেয়েছিলেন কিন্তু শেষ রক্ষা হল না ।কর্ণাটকের বিজেপি সরকারের ব্যাপক দুর্নীতি সেই সাথে কংগ্রেসের লাগাতার প্রচার যা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার সুরকে আরও তীব্র করেছে। তাই শুধুমাত্র মোদী ম্যাজিকের উপর ভর করে নির্বাচন জেতা যে  আর বিজেপির পক্ষে সম্ভব নয় কর্ণাটকের জনগণ চোখে হাত দিয়ে তাই দেখিয়ে দিল। .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top