SAFF Final: কুয়েতকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

উত্তরাপথ

ছবি সংগৃহীত

SAFF Final (সাফ) ফুটবলের শিরোপা হাতছাড়া করেনি এবারও ভারত। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল Blue Tigers -রা। এই নিয়ে রেকর্ড ৯ম বার এই শিরোপা নিজেদের কাছে রাখল সুনিল ছেত্রীরা। টাইব্রেকারে তারা কুয়েতকে হারিয়েছে ৫-৪ ব্যবধানে । তবে এই জয় খুব সহজে পায়নি সুনিল ছেত্রীরা। বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে কুয়েতের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে শিরোপা দখলে নিল ভারত। নির্ধারিত সময়, অতিরিক্ত সময় অতঃপর টাইব্রেকার; তবুও নিষ্পত্তি হয়নি শিরোপার। অবশেষে ভারত শিরোপা বুঝে পায় সাডেন ডেথে।

প্রথম ৯০ মিনিটের বদলে, ১২০ মিনিটে শেষ হয় ১-১ সমতায়। ফলে খেলা গড়ায় পেনাল্টি শুট আউটে। যেখানে প্রথম ৫ শটে দুই দলই ৪টি করে গোলের দেখা পায়। ফলে খেলা গড়ায় সাডেন ডেথে। যেখানে নায়ক হয়ে ওঠেন ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং, আটকে দেন খালেদ হাজিয়াহর শট। এর আগেই অবশ্য ভারতের হয়ে জয়সূচক গোল পেয়ে যান মনি সিং।

SAFF Final ম্যাচের শুরু থেকেই জমে উঠে । আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে বাড়তে থাকে উত্তেজনা।এরই মাঝে প্রথম গোলটা পেয়ে যায় কুয়েত। ১৪ মিনিটে শাবিব আল খালদির গোলে এগিয়ে যায় ১-০। পরের মিনিটেই সমতায় ফিরতে পারত ভারত, তবে জোড়া আক্রমণ সামলে দিয়ে দলকে রক্ষা করেন কুয়েত গোলরক্ষক।এদিকে গোল খেয়ে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি।দেশের মাঠে খেলা হওয়ায় অধিকাংশ সমথর্ক যে ছিল ভারতেরই। তবে বেশীক্ষণ মন খারাপ করে থাকতে হয়নি, ৩৮ মিনিটে প্রাণ ফেরে গ্যালারিতে। লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের গোলে সমতায় ফেরে ভারত। এরপর বাকি সময়ে আর কেউ গোল করতে পারেনি।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


কৃষ্ণগহ্বরের "ছায়া" ও "ছবি"

ড. সায়ন বসু: ১৭৮৩ সালে ভূতত্ত্ববিদ জন মিচেল (John Michell) ‘ডার্ক স্টার’ (dark stars) শিরোনামে একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেন। তার গবেষণা পত্রের বিষয়বস্তু ছিল "বিপুল পরিমাণ ভর বিশিষ্ট কোন বস্তু যার মহাকর্ষের প্রভাবে আলোক তরঙ্গ পর্যন্ত পালাতে পারে না"। এখান থেকেই মূলত কৃষ্ণগহ্বরের (Black Hole) ধারণা আসে এবং এটি নিয়ে গবেষনা ও অনুসন্ধান শুরু হয়। পরবর্তিতে অবশ্য এটি বিজ্ঞান মহলে একটি অযৌক্তিক তত্ত্ব হিসেবে বেশ অবহেলার স্বীকার হয়। আলোর মত কোন কিছু বেরিয়ে আসতে পারবে না এমন একটি তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের কাছে বেশ অযৌক্তিক মনে হয়েছিল। তাই ধীরে ধীরে থেমে যায় কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা। .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top