Summer Vacation: রাজ্যে ছুটির ধাক্কায় পড়ুয়াদের পঠনপাঠন শিকেয় উঠেছে

উত্তরাপথ

প্রবল গরমের ধাক্কায় স্কুলে নির্ধারিত ছুটি ১১ দিন থেকে বেড়ে ৫১ দিন হয়েছে। বৃহস্পতিবারই আবার পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত হয়েছে। আর এই সবের মধ্যে আগামী বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস আদৌ শেষ হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। কেননা ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অনেকটাই এগিয়ে আনা হয়েছে। রাজ্যের স্কুল শিক্ষকদের কথায়, পর্ষদের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চলতি বছরে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের প্রথম  পরীক্ষা হয়েছে ১-১১ এপ্রিল। তাপপ্রবাহের কারণে স্কুলে প্রথম দফায় সাত দিন গরমের ছুটি পড়েছিল ১৭-২৪ এপ্রিল। তার পর এক সপ্তাহ ক্লাস করে ২ মে-১৪ জুন পর্যন্ত এর পর আবার  দ্বিতীয় দফায় গরমের ছুটি দেওয়া হয়েছে। এদিকে পঞ্চায়েত ভোটের কারণে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভোটের কাজে এবং স্কুলগুলি ভোটকেন্দ্র হিসেবে নেওয়া হলে, আরও বেশ কিছুদিন পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটবে। এই পরিস্থিতিতে সিলেবাস কি করে শেষ হবে তা নিয়ে চিন্তায় শিক্ষক মহল।

এদিকে সংসদ মঙ্গলবারই জানিয়ে দিয়েছে, ১-১৫ ডিসেম্বর উচ্চ মাধ্যমিকের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা সারতে হবে। ফলে উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট ১৫ নভেম্বরের মধ্যে করতেই হবে। যদিও মাধ্যমিকের টেস্ট পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই ২১-৩০ নভেম্বর রাখা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পুজোর ছুটি।এই অবস্থায় শিক্ষক-শিক্ষিকারা ভেবে কুলকিনারা পাচ্ছেন না মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি ষষ্ঠ থেকে নবম ও একাদশের পড়ুয়াদের সিলেবাস কী করে শেষ হবে। এই সব পড়ুয়াদের সিংহভাগেরই আবার কোভিডের কারণে নানা বিষয়ে বিস্তর লার্নিং গ্যাপ রয়েছে। এদিকে রাজ্যের কিছু জায়গায় অবিভাবকেরা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের  পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য রেমেডিয়াল ক্লাসের দাবী জানাচ্ছেন।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


Renewable Energy: জাপানি প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রস্তাব করেছেন

উত্তরাপথ: সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সাথে নবায়নযোগ্য শক্তিতে (Renewable Energy) দেশের উন্নত প্রযুক্তি ভাগ করার প্রস্তাব করেছেন। মূলত  জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমিত করার এবং জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর নির্ভরতা হ্রাস করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে । সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে তাদের তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল মজুদের জন্য পরিচিত, যা তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে উভয় দেশ তাদের কার্বন পদচিহ্ন (Carbon Emission) কমাতে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে তাদের শক্তির উৎসগুলির পরিবর্তনে আগ্রহী .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top