West Bengal Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীতে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

উত্তরাপথ

হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে (এসইসি) নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে।সেই সাথে  আদালত এসইসিকে গণনা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথ এবং কোণে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। তবে, আদালত ৮ জুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা কর্তৃক নির্ধারিত নির্বাচনের সময়সূচী পরিবর্তন করেনি। নির্বাচন সংক্রান্ত পিটিশনের শুনানির সময়, প্রধান বিচারপতি শিবগ্নামান এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পূর্বে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য দেওয়া পাঁচ দিনের সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল, এটি প্রাথমিকভাবে অপর্যাপ্ত বলে উল্লেখ করেছিল।মঙ্গলবার, বেঞ্চ জানিয়েছে, মনোনয়নের তারিখ বাড়াবে কি না তা কমিশনের ব্যাপার।সেইসাথে আদালত এসইসিকে গণনা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী সহ প্রতিটি বুথ এবং কোণে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে যে পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরের ভোট গণনা একযোগে এবং একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

৮ জুন নতুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছিলেন। ৮ জুলাই একক পর্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এবং ১১ জুলাই ভোট গণনা হবে।মনোনয়ন প্রক্রিয়া ৯ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৫ জুন পর্যন্ত চলবে। আজ সন্ধ্যা থেকে আদর্শ আচরণবিধি প্রযোজ্য হবে।” তিনি আরও জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০শে জুন এবং ভোটগ্রহণ চলবে সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।কমিশনের ঘোষনার পরের দিন, কলকাতা হাইকোর্ট ৮ জুলাই নির্ধারিত আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা দুটি পিআইএল-এর একটি জরুরি শুনানির আয়োজন করে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবগ্নামান এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনকারীদের উদ্বেগ স্বীকার করেছে যে পাঁচ দিনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় অপর্যাপ্ত ছিল এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পুনর্বিবেচনা করতে বলেছে।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


আগামী ৩ বছরে শূন্য বর্জ্য হওয়ার পথে রাজস্থানের প্রথম গ্রাম

উত্তরাপথঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের একটি প্রকল্পের আওতায় আঁধি গ্রামে এই পরিবর্তন করা হচ্ছে।জয়পুর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আন্ধি গ্রাম।আগামী তিন বছরে এই গ্রাম শূন্য বর্জ্য হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে ।আন্ধি গ্রামের এই সম্পূর্ণ রূপান্তরটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের একটি প্রকল্পের অধীনে করা হচ্ছে।  এই প্রকল্পটি সবুজ প্রযুক্তির হস্তক্ষেপ ব্যবহার করে আন্ধি গ্রামকে জিরো ওয়েস্ট মডেলে রূপান্তরিত করার কাজ চলছে ।  এই প্রকল্পটি ২১ মার্চ ২০২২ এ শুরু হয়েছে,  প্রকল্প পরিচালক বলেন, এ গ্রামের অবস্থা আগে খুবই খারাপ ছিল।আগে এই গ্রামের লোকেদের কঠিন বর্জ্য আলাদা করার কোনও ধারনা ছিল না । .....বিস্তারিত পড়ুন

বিশ্ব মানবতার আলোয় যৌবনের পূজারী নজরুল

অসীম পাঠকঃ জীবনের প্রয়োজনে যুগের পরিবর্তন যেমন সত্য তেমনি যুগের প্রয়োজনে জীবনের আবির্ভাব অমোঘ। এই বাস্তব সত্যটিকে আরও গভীর ভাবে উপলব্ধি করার কাল এসেছে। তারই অভ্যাস অনুরণিত হচ্ছে দিকে দিকে। সর্বত্র আলোড়ন উঠেছে বিদ্রোহী কবির জীবন দর্শন নিয়ে , তাঁর আগুন ঝরা কবিতা নিয়ে। সর্বহারার কবি নজরুল ইসলাম। যারা বঞ্চিত অবহেলিত , নিপীড়ন আর শোষণের জ্বালা যাদের বুকে ধিকি ধিকি জ্বলে বুকেই জুড়িয়ে যাচ্ছিল দাহ, তাদের মূক বেদনার ভাষা দিয়েছিলেন নজরুল।পদদলিত পরাধীন জাতির বুকে স্বাধীনতার তৃষ্ণা জাগিয়েই তিনি শান্ত থাকেননি , দেশের সমাজের বুক থেকে মানুষে মানুষে বিভেদ ব্যাবধান দূর করবার ব্রত ও গ্রহন করেছিলেন। তিনিই প্রথম কবি যিনি সমাজের সমাজপতি দের ছলনার .....বিস্তারিত পড়ুন

ধানের সাধ ভক্ষণ : জিহুড়

ড.  নিমাইকৃষ্ণ মাহাত: আশ্বিন সংক্রান্তিতে কৃষক সমাজের মধ্যে জিহুড় পার্বণ পালিত হয়। কৃষক সাধারণের মধ্যে জিহুড় পার্বণের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জিহুড় অর্থাৎ আশ্বিন সংক্রান্তির সময় বহাল জমিতে লাগানো ধান বা বড়ান ধানে থোড় আসতে শুরু করে। সুতরাং ধান গাছ গর্ভাবস্থায় থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় নানা ধরনের আচার-সংস্কার পালন করা হয়। এই সংস্কারগুলির অন্যতম হলো " ন' মাসি " অর্থাৎ গর্ভাবস্থার নবম মাসে যে আচার -অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এর কিছুদিন পরেই সন্তানজন্মগ্রহণ করে। মানব- সমাজের গর্ভাবস্থাজনিত এই ধরনের আচার সংস্কারের সঙ্গে ধান গাছের গর্ভাবস্থার কারণে পালনীয় অনুষ্ঠান জিহুড়ের সাদৃশ্য থাকে দেখা যায়। সেই জন্য অনেকে জিহুড় অনুষ্ঠানকে ধান গাছের 'সাধভক্ষণ'  বলে থাকেন। জিহুড়-এ ধান গাছ .....বিস্তারিত পড়ুন

জানুন ২০২৩ সালের জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ শীলা অসোপা'র কথা

ত্তরাপথঃ ডঃ শীলা অসোপা, সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শ্যাম সদন, যোধপুরের অধ্যক্ষা, তিনি ১৭ বছর ধরে স্কুলের বাচ্চাদের পড়াচ্ছেন।তাঁকে শিশুদের শেখানোর নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন, স্কুলের অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং উদ্ভাবনের জন্য ২০২৩ সালের জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে পুরুস্কৃত করা হয়।  ডঃ অসোপাকে, যোধপুরে শ্যাম সদন, সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, ১০ মাস আগে বদলি করা হয় । সেই সময় দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ে মাত্র দুটি কক্ষ ছিল।মেয়েরা টিনের চালা দিয়ে তৈরি ঘরে পড়াশোনা করত।  ঘর কম থাকায় গাছের নিচেও ক্লাস হত । তার কথায় ,সেই সময়টা বাচ্চাদের পড়াশুনা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় কেটেছে । এরপর টিনের চালা দিয়ে তৈরি কক্ষে কাঠের পার্টিশন দিয়ে ৬টি কক্ষ তৈরি করা হয়। .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top