অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীদের সমস্ত বকেয়া পেনশন মেটানোর কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

উত্তরাপথ

ছবি সৌজন্যে : দা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ওয়ান রাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) স্কিমের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের রায় মেনে চলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য ছিল বলে উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট সোমবার সরকারকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ র মধ্যে ১০-১১ লাখ পেনশনভোগীর বকেয়া পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে, তিনটি সমান কিস্তিতে এই টাকা মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে। ওআরওপি বকেয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের জমা দেওয়া সিল করা কভার নোট গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূদ সোমবার বলেছেন: “আমি ব্যক্তিগতভাবে সিল করা কভারের বিরুদ্ধ। আদালতে স্বচ্ছতা থাকতে হবে… এটি আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে। এখানে কি গোপন থাকতে পারে?”  সুপ্রিম  কোর্টের নির্দেশে আরও বলা হয়  “ওআরওপি স্কিমের শর্তাবলীতে এই আদালতের রায় মেনে চলার জন্য কেন্দ্র সরকার বাধ্য”।

 শীর্ষ আদালত সরকারকে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের ৩০ জুন, ২০২৩ সালের মধ্যে এক বা একাধিক কিস্তিতে ওআরওপি বকেয়া পরিশোধ করতে এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ছয় লাখ পারিবারিক পেনশনভোগী এবং বীরত্ব পুরস্কার বিজয়ীদের ওআরওপি বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার  নির্দেশ দিয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


মানুষে মানুষে ঐক্য কীভাবে সম্ভব

দিলীপ গায়েন: হিন্দু,মুসলমান,ব্রাহ্মণ,তফসিলি।সকলেই মানুষ।কিন্তু এদের মধ্যে যে ব্যবধান তা হলো ধর্ম ও সাংস্কৃতিক। এই ব্যবধান মুছতে পারলে একাকার হওয়া সম্ভব। যারা বলছে আর্থিক সমতা প্রতিষ্ঠা হলে ব্যবধান মুছে যাবে, তাদের কথাটি বোধ হয় সঠিক নয়।তার প্রমাণ গরিব ও শ্রমিক শ্রেণীর মধ্যে আর্থিক ব্যবধান নেই। অথচ জাতিভেদ রয়ে গেছে। তেমনি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনা ব্যতীত ধনী ও শিক্ষিত সমাজে আর্থিক সচ্ছলতা থাকলেও জাতিভেদ রয়ে গেছে। একমাত্র হাসপাতালে বা চিকিৎসা ব্যবস্থায় জাতিভেদ নেই।কারণ সেখানে তো প্রচলিত ধর্মজাত প্রভেদ বা পরিচয় নেই। আছে মেডিসিন, যা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান। কারোর ধর্ম বা জাত দেখে প্রেসক্রিপশন হয় কি? এখানে মানুষের একমাত্র এবং শেষ পরিচয় সে মানুষ। .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top