Jadavpur University: লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শৌচালয় গড়ে পথ দেখাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তরাপথ

ছবি- সংগৃহীত

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)মানেই নতুন কোনও পদক্ষেপ। এবার আবার লিঙ্গ নিরপেক্ষ শৌচালয় গড়ে নজির গড়ল । পুরুষ, মহিলা বা রূপান্তরকামী-সকলের জন্য ক্যাম্পাসে খুলে দেওয়া হল লিঙ্গ নিরপেক্ষ শৌচালয়। অর্থাৎ সব লিঙ্গ পরিচিতির ব্যক্তিরাই ব্যবহার করতে পারবেন এই শৌচালয়টি। যার প্রথমটি গত সোমবার ইংরেজি বিভাগে চালু হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগেও একটি শৌচালয়কে লিঙ্গ নিরপেক্ষ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এভাবেই আগামীতে ক্যাম্পাসের প্রতিটি ভবনে একটি করে লিঙ্গ নিরপেক্ষ শৌচালয় গড়ে তুলতে সচেষ্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পুরুষ ও মহিলা, সাধারণত এই দুই লিঙ্গের জন্য থাকে পৃথক পৃথক শৌচালয়। কিন্তু, এই দুই ভাগের মধ্যে কোনটি ব্যবহার করবেন রূপান্তরকামীরা? এই প্রশ্ন তুলে মূলত তাঁদের স্বার্থেই দীর্ঘদিন ধরে লিঙ্গ নিরপেক্ষ শৌচালয়ের দাবি জানিয়ে আসছিল যাদবপুরের পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ। ছাত্র ইউনিয়নগুলির তরফেও বহুবার এই দাবি জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবিকে মান্যতা দিয়েই প্রথম লিঙ্গ নিরপেক্ষ শৌচালয় গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।  

খবরটি শেয়ার করুণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন


Skin Ageing: ত্বকের বার্ধক্যের জন্য একটি প্রোটিন দায়ী বলছেন বিজ্ঞানীরা

উত্তরাপথ: ত্বকের বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা আমরা বড় হওয়ার সাথে সাথে ঘটে থাকে,এক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণ এই প্রক্রিয়াটিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। তাদের মধ্যে, সাম্প্রতিক গবেষণায় ত্বকের বার্ধক্যে অবদান রাখার ক্ষেত্রে IL-17 নামক প্রোটিনের ভূমিকার উপর বিজ্ঞানীরা আলোকপাত করেছেন। IL-17, একটি প্রো-ইনফ্ল্যামেটরি সাইটোকাইন ,যা ইমিউন প্রতিক্রিয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এখন আমরা ত্বকের বার্ধক্যের ক্ষেত্রে IL-17 প্রোটিনের কি এবং ত্বকের উপর এর  প্রভাব সহ ত্বকের যত্ন এবং অ্যান্টি-এজিং চিকিৎসার সম্ভাব্য প্রভাবগুলি অন্বেষণ করব। .....বিস্তারিত পড়ুন

Renewable Energy: জাপানি প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তির প্রস্তাব করেছেন

উত্তরাপথ: সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সাথে নবায়নযোগ্য শক্তিতে (Renewable Energy) দেশের উন্নত প্রযুক্তি ভাগ করার প্রস্তাব করেছেন। মূলত  জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমিত করার এবং জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর নির্ভরতা হ্রাস করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে । সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে তাদের তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল মজুদের জন্য পরিচিত, যা তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে উভয় দেশ তাদের কার্বন পদচিহ্ন (Carbon Emission) কমাতে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে তাদের শক্তির উৎসগুলির পরিবর্তনে আগ্রহী .....বিস্তারিত পড়ুন

Scroll to Top